Articles by "Back-Pack"

Showing posts with label Back-Pack. Show all posts


ট্রাভেল কার্ড কোনটি ভালো? 

EBL এর ট্রাভেল কার্ড নাকি SBI (স্টেটব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার ) ট্রাভেল কার্ড?

আসুন বিস্তারিত বলছি...

অনেকে দেশের বাইরে ঘুরতে বা চিকিৎসার জন্য যান এবং যাওয়ার আগে ট্রাভেল কার্ড করে নিয়ে যেতে পছন্দ করেন বা অনেকে করতে ইচ্ছুক কিন্তু কোন কার্ড তার জন্য ভালো হবে সেটা বুঝতে পারেন না, ফেসবুকে অনেকের অনেক মন্তব্য দেখে কনফিউজড হয়ে যান।

মূলত যাদের দেশের মধ্যে বুথ থেকে টাকা উঠানোর অভ্যাস আছে তারাই এই ট্রাভেল কার্ড করে থাকে তবে এর ব্যতিক্রমও অনেকে ব্যবহার করছে প্রতি নিয়ত। ট্রাভেল কার্ড এ আপনি সার্ক দেশ গুলোতে ৫০০০ ডলার পর্যন্ত লোড করে নিয়ে যেতে পারবেন এবং বিদেশে গিয়ে ওই কার্ড দিয়ে প্রায় সব যায়গাতে পেমেন্ট দিতে পারবেন যেমন শপিং মল, মেডিকেল শপ, হাসপাতাল, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট গুলোতে।

মূলত বাংলাদেশের টপ ব্যাংক গুলো এই কার্ড দিয়ে থাকে এবং ট্রাভেল কার্ড নিতে হলে অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক তারপর ২ কপি ছবি, ন্যাশনাল আইডি কার্ড এর কপি ও টাকা নিয়ে গেলেই ৬০ মিনিটের মধ্যে ট্রাভেল কার্ড পেয়ে যাবেন।

যাইহোক আজকে দুটি ব্যাংকের ট্রাভেল কার্ড নিয়ে খুটিনাটি আলোচনা করবোঃ


SBI কার্ড


SBI কার্ড এর বৈশিষ্ট্যঃ

১। এই কার্ড এর মেয়াদ ৫ বছর পর্যন্ত।
২। কার্ড টি করতে এক্সট্রা ১৪০০ টাকা ফি কেটে নিবে একবারই যা ৫ বছরের মধ্যে আর নিবে না।
৩। যে কোন পরিমান ডলার লোড দিতে আরো ২৩০ টাকা এক্সট্রা ফি কেটে নিবে। যত বার ডলার লোড দিবেন ততোবার ই ২৩০ টাকা কেটে নিবে।
৪। এই কার্ড ভারতের ভিসা লেখা সম্বলিত যে কোন বুথ থেকে রুপি উঠাতে পারবেন।
৫। এই কার্ড দিয়ে হাসপাতাল, রেস্টুরেন্ট, শপিং মলে বিল দিতে পারবেন।
৬। এই কার্ড করলে ভারতীয় ভিসার জন্য এপ্লাই করতে পারবেন (যদি ব্যাংক স্টেটমেন্ট না দিতে পারেন)।

অসুবিধাঃ
১। এই কার্ড দিয়ে কোন ওয়েবসাইট থেকে কোন কিছু বুকিং দিতে পারবেন না যেমন ট্রেন/এয়ার/হোটেল বুকিং করতে পারবেন না।
২। প্রতিবার ডলার লোড দিতে হলে কার্ড সাথে করে ব্যাংকে যেতে হবে এবং পাসপোর্ট বই, ন্যাশনাল আইডি কার্ড ও ২ কপি ছবি নিয়ে যেতে হবে, নতুবা ডলার লোড দিবে না।
৩। প্রতিবার ডলার লোড দিতে ২৩০ টাকা অতিরিক্ত ফি হিসেবে কেটে নেই।
৪। এটি এম বুথ থেকে উত্তোলন করলে প্রতিবার ১ ডলার করে ফি কাটে

EBL কার্ড

EBL কার্ড এর বৈশিষ্ট্যঃ

১। এই কার্ড এর মেয়াদ ৩ বছর পর্যন্ত থাকে।
২। কার্ড টি করতে ৫৭৫ টাকা এক্সট্রা ফি কেটে নিবে যা ব্যাংকে ডিপোজিট স্লিপের মাধ্যমে জমা দিতে হয় এবং এই ফি ৩ বছরের জন্য একবার ই কেটে নিবে আর কখনো নিবে না।
৩। ভারত ও অন্যান্য দেশের ভিসা লেখা সম্বলিত এটি এম বুথ থেকে রুপি বা অন্য কারেন্সি উঠাতে পারবেন।
৪। এই কার্ড দিয়ে হাসপাতাল, রেস্টুরেন্ট, শপিং মলের বিল দিতে পারবেন।

অসুবিধাঃ

১। এটি এম বুথ থেকে উত্তোলন করলে ১ ডলার করে ফি কেটে নেই যা SBI এর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম।

এক্সট্রা সুবিধাঃ

১। এই কার্ড দিয়ে বিশ্বের প্রায় নামিদামি সব ওয়েবসাইট থেকে এয়ার টিকিট/হোটেল বুকিং করতে পারবেন, কোন ঝামেলা ছাড়াই। এমনকি ভারতের রেলের টিকিটও করতে পারবেন যদি ট্রেনের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকে।
২। ডলার যে কেউ ব্যাংকে গিয়ে ডিপোজিট স্লিপ ফিলাপ করে লোড দিতে পারে।
৩। একবার e-commerce ট্রাঞ্জাকশন এক্টিভ করে নিলে ৩ বছরের মধ্যে আর করা লাগে না।
৪। ওয়েবসাইট থেকে কিছু ক্রয় করার সময় OTP মোবাইল ও ইমেইল উভয় সিস্টেমে আসে।

এবার আসুন ভিন্ন বিষয়ের পার্থক্য বলি

SBI কার্ড নিলে ৫ বছরে ১৪০০ টাকা এবং ধরে নিলাম প্রতি বছর ১ বার করে ভারত বা অন্য দেশে যাবেন তাহলে আরো ২৩০ *৫ = ১১৫০ টাকা, তাহলে ৫ বছরে খরচ হচ্ছে (১৪০০+১১৫০) = ২৫৫০ টাকা

তাহলে গড় হিসেব করলে প্রতি বছর কার্ড ফি বাবদ ৪৫০ টাকা করে কেটে নিচ্ছে।

EBL কার্ড নিলে ৩ বছরে ৫৭৫ টাকা খরচ হচ্ছে কিন্তু দুই বছর মেয়াদ কম দিচ্ছে, যদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবারো করি সেক্ষেত্রে আরো ৫৭৫ টাকা লাগবে তাহলে ৬ বছরের জন্য লাগছে ১১৫০ টাকা।

তাহলে গড় হিসেব করলে প্রতি বছর কার্ড ফি বাবদ ১৯১.৬৬ টাকা করে কেটে নিচ্ছে।

মূলত ভারতের স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কার্ড করা হয়ে থাকে সিম্প্যাথির জন্য মানে ভিসা পেতে হয়তো সহজ হতে পারে যা সাইকো লজিক্যাল ভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা ইফেক্ট পড়ে মানে ভিসা পেয়ে যাবে। কিন্তু অন্য ব্যাংক থেকে ট্রাভেল কার্ড করলেও আপনি ভিসা পাবেন।

মূলত ইন্ডিয়ার এম্বাসিগুলো স্টেটব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার শাখা থেকে কার্ড করার জন্য মানসিক ভাবে সাধারণ মানুষকে প্রেসার করে থাকে, যদিও সরাসরি কখনো বলে না যে এখান থেকেই করতে হবে। তাদের ডলারও সেল হলো, সেই সাথে কার্ড তো আছে এবং ব্যবসাও ভালো চললো। ব্যবসার পরিধি বাড়াতে যে কেউ তাদের অনুকুলে যাবে এমন কাজ করবেই যা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে, যেহেতু স্টেটব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ভারতীয় এম্বাসির নিয়ন্ত্রণকর্তা তাই তারা এই টুকু এক্সট্রা সুবিধা মানসিক ভাবে হিট করে নিয়ে চলছে।

মন্তব্যঃ 

যেহেতু অনেকেই ভারতে ঘুরতে যান আর যাদের ব্যাংক একাউন্ট নেই তারা হয়তো SBI কার্ড করে নিতে পারেন কিন্তু ব্যাংক একাউন্ট দিয়ে যদি ভিসা পেয়ে যান তাহলে ট্রাভেল কার্ড কোনটি করা উচিত তা এতোক্ষনে বিস্তারিত পড়ে বুঝে গেছেন।

ঘরে বসে বিশ্বের যে কোন এয়ারের টিকিট বুকিং দিন খুব সহজে। পেমেন্ট একদম সহজ বিকাশ বা রকেট দিয়ে আজই বুকিং করুন।

কিপ ট্রাভেলিং, স্টার্ট ব্যাকপ্যাকিং !



Tour on budget
Budget travel
Cheap places to travel
বাংলাদেশ
খবর

========================================================================


মন্তব্য অথবা কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করুন।

আনোফেলিস প্রজাতির স্ত্রী মশা
বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকা সমূহে ভ্রমন বিষয়ে একটি সতর্কতা মূলক পোষ্ট।

ভ্রমণ আমাদের সবার প্রিয়। বিশেষ করে যারা এডভ্যাঞ্চার পছন্দ করেন তাদের জন্য দেশের ভেতরে সবচেয়ে পছন্দের জায়গা হল আমাদের পার্বত্য এলাকা বা আমাদের পার্বত্য তিন জেলা বান্দরবন, রাঙ্গামাটি এবং খাগড়াছড়ি। সাধারনত দুর্গম এসব পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগের সুবিধা তেমন নেই বললেই চলে। তাই সাধারনত ভ্রমনের আগে আমরা অনেক রকম প্রস্তুতি নিলেও নিজেদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা অনেকেই ভুলে যাই বা তেমন পাত্তা দিতে চাই না।

গত বছরেরে মাঝামাঝিতে বান্দরবনের থানচি থেকে ফিরে মারাত্নক ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৭১ টিভির ক্যামেরাম্যান আলী হোসেন রিপন মারা যান।এটি খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল।এ যুগে একজন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাবে এটি আসলেই মেনে নেওয়া কঠিন।এই মৃত্যু এড়ানো সম্ভভ ছিল শুধু্মাত্র দরকার ছিল একটু সচেতনতা।

ম্যালেরিয়া হল একটি মশা দ্বারা পরিবাহিত রোগ যার জন্য দায়ী একধরেন প্যারাসাইট বা অণুজীব।সাধারণত ম্যালেরিয়ার দুই ধরনের প্যারাসাইটের দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হয়। যার একটি plasmodium falciparum (pf) এবং অন্যটি হল plasmodium vivax (pv)। দেখা যায় যে plasmodium falciparum (pf) বা সেরিব্রাল ম্যালেরিয়ার কারনেই মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটে।

তাই বলছি আপনারা যারা ম্যালেরিয়া প্রবন এলাকায় ভ্রমন করবেন তারা সেখান থেকে আসার পর জ্বর দেখা দিলেই অবহেলা না করে এবং শুধুমাত্র প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধকে সমাধান না ভেবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অনেক সময় মশার মাধ্যমে আক্রান্ত হওয়ার ১২ থেকে ১৫ দিন পরেও ম্যালেরিয়ার লক্ষন দেখা দেয়।

আর একটি কথা আপনাদের বলে রাখা দরকার সেটা হল আপনি অবশ্যই চিকিৎসককে আপনার ম্যালেরিয়া প্রবন এলাকায় ভ্রমন সম্পর্কে বলবেন। তবে এখানে এটাও বলে রাখা দরকার যে সাধারনত আমাদের পার্বত্য এলাকা ছাড়া যেহেতু ম্যালেরিয়া দেখা দেয় না সেকারনে অন্যান্য এলাকায় এই রোগের ঔষধ তেমন পাওয়া যায় না তাই আপনি যোগাযোগ করতে পারেন জাতীয় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর হটলাইনে: +8801787691370. তারা প্রস্তুত আছে বিনামূল্যে দ্রুত রোগ নির্নয় ও তাৎক্ষনিক চিকিৎসা প্রদানের জন্য। বাংলাদেশ সরকার যেহেতু ম্যালেরিয়া সেবা বিনামূল্যে প্রদান করে থাকে, তাই ম্যালেরিয়ার জন্য সবচেয়ে কার্যকারী ঔষধ ইনজেকশন বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না বললেই চলে। যা সহজেই আপনি বিনামূল্যে পাবেন সরকারী ম্যালেরিয়া নিয়ে কাজ করা এনজিও স্বাস্থকর্মীর কাছে, কমিউনিটি ক্লিনিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, সরকারী হাসপাতালে।

কিভাবে বুঝবো ম্যালেরিয়া জ্বর হয়েছে?
এনোফিলিস জাতীয় স্ত্রী মশা কামড়ের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়। ২ দিন বা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে কারো অনিয়মিত জ্বর হলে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে ম্যালেরিয়া জ্বর হয়েছে কিনা।
কাদের ম্যালেরিয়া হবার সম্ভাবনা বেশী?
ম্যালেরিয়াপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারী সবারই ম্যালেরিয়া হতে পারে, তবে ৫ বছরের নিচে শিশু, গর্ভবতী মহিলা ও ম্যালেরিয়াপ্রবণ এলাকায় ভ্রমনকারীদের এই রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

মারাত্মক ম্যালেরিয়ার লক্ষণ :
মারাত্মক ম্যালেরিয়ায় ২ দিন বা ৪৮ জ্বর ঘন্টার মধ্যে অনিয়মিত জ্বর ছাড়া অন্য কোন এক বা একাধিক রোগের লক্ষণ থাকে। যেমনঃ
- অজ্ঞান বা অজ্ঞানের পূর্বাবস্থা
- খিঁচুনি
- অস্বাভাবিক আচরণ বা পাগলামী করা
- অত্যাধিক দূর্বলতা যার কারনে নিজে নিজে দাঁড়াতে পারেনা
- বার বার বমির কারণে কিছুই খেতে না পারা।
- মারাত্মক রক্তশূন্যতা
- জন্ডিস 
- শ্বাস কষ্ট (বাচ্চাদের ক্ষেত্রে)

ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রনের উপায়গুলি কি কি ?
- দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা প্রদান
- মশার কামড় হতে আত্মরক্ষা করা। 
- এলাকাতে মশার জন্ম ও বংশ বিস্তার রোধ করা
- সন্ধ্যা হতেই মশারি টানান
- যতটুকু সম্ভব শরীর ঢেকে রাখা (ফুল হাতা শার্ট পরিধান ইত্যাদি)
- ভ্রমনের সময় রিপেলেন্ট ব্যবহার করা
- সম্ভব হলে শোবার ঘরে জানালায় মশার প্রতিবন্ধক জাল ব্যবহার করা

আর একটি কথা, অনেকেই মনে করেন আগেই ঔষধ খেয়ে নিবেন। আসলে প্যারাসাইটের মাধ্যমে আক্রান্ত রোগের সাধারণত কোন প্রতিষেধক হয় না। তাই রোগ ধরা পরার পরেই আপনাকে সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে।

তাই ম্যালেরিয়া প্রবন এলাকায় ভ্রমনের সময় এবং ভ্রমণের পর আমাদের অবশ্যই সতর্ক থাকা উচিত।


========================================================================

মন্তব্য অথবা কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করুন।


অনেকে হয়তো খেয়াল করবেন বর্তমানে যারা হাইকিং এবং ক্যাম্পিং এর মত আউট ডোর স্পোর্ট গুলা করে তারা নিজেদের খাবার দাবার নিজেরাই রান্না করে। কেউ হয়তো শুকনো কাঠ পুড়িয়ে কেউ কেউ ছোট্ট পকেট সাইজের চুলা দিয়ে। বাংলাদেশেরই অনেক হাইকার এবং ক্যাম্পার এ চুলা অনেকদিন ধরে ব্যাবহার করে আসছে।আর এ চুলাটা এখন অনেক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এর ছোট সাইজ আর হালকা ওজনের জন্য। এটি নিজে নিজেই বানানো যায়। আজ এ পোস্ট আমি শেখানোর চেস্টা করবো কিভাবে এটা আপনি বানাতে পারবেন।


প্রথমে যা যা লাগবে।


১/ দুটা সোডা / কোক বা বিয়ারের খালি ক্যান।
২/ একটা সিজর বা কেচি।
৩/ একটা রঙ্গিন মার্কার।
৪/ একটা প্লায়ার্স।
৫/ কাগজ লাগানোর জন্য নোটিশ বোর্ডে ব্যাবহার করার একটা পিন। ক্লিপ বোর্ড পিন।
৬/ সিরিজ কাগজ। লোহার জং ঝরানোরটা।





কিভাবে বানাবেন:-


প্রথমে খালি ক্যান দুটি পানি দিয়ে ভাল করে পরিস্কার করে ফেলুন। খালি না থাকলে দ্রুত খেয়ে খালি করে ফেলুন :P ।



                                              ছবি:- খালি ক্যান পরিস্কার করা হচ্ছে।

এর পর ক্যান দুটি মার্কর দিয়ে মার্ক করতে হবে ঠিক যেখানে কাটতে চান। সাধারণত ক্যানের নিচের অংশের ৩.৫ মিলিমিটার বা ১.৫ ইন্চি কাটা হয়। কিন্তু আমি ওতো মাপটাপ দিতে পারিনা বাপু। আমি করি কি একটা কস্টেপ/সাদা টেপের উপর মার্কারটা চেপে ধরে মার্কারের মাথার সাথে ক্যানটা লাগিয়ে ঘুরাই। ফলে ক্যানের মধ্যে একটা দাগ পড়ে সমান ভাবে। এভাবে দুটা কেনেই একি ম্যাপে দাগ দেওয়া হয়।

ছবি:- ক্যানে এভাবেই দ্যাগ দিতে হবে।



ছবি:- দুটাতেই দাগ দেওয়া হয়ে গেল।

এখন দাগ বরাবর কেটে ফলতে হবে। এ কাজটা একটু সাবধানে করতে হবে। যেন দাগ বরাবর সমান কাটা হয়। বাকা বা অসমান কাটা হলে এটি একটার সাথে অন্যটা পরে ঢুকাতে কষ্ট হবে। নষ্টও হয়ে যেতে পারে। সিজর বা ক্যাচি দিয়ে সমান ভাবে কেটে ফেলুন। চিকন সিজর বা কেচি হলে ভাল হয়। আমি এই পোস্টে সিম্পল স্টোভটা বানাবার টিউটোরিয়াল দিচ্ছি। তাই চুলাটা একেবারে সাধারণটা। এটার ভেতরে কোন রিং বা স্পন্জ দেবনা। তাই ক্যানের একটু উপর থেকে কাটা শুরু করলাম। যাতে কাটা সহজ হয়। যদি সিম্পলটা না বানাতাম তবে এত ওপর থেকে কাটতাম না। কারণ ওই অংশটা মাঝখানে রিং হিসাবে ব্যাবহার করতাম। নিচের ছবি দেখুন :-





ছবি:- এভাবে একটু উপর থেকে কাটলে সমান ভাবে কাটতে পারবেন।

ছবি:- এভাবে সমান করে কেটে ফেলুন।

এরপর একটা প্লায়ার্স দিয়ে যে ক্যানের কাটা অংশটাকে আপনি উপরে রাখবেন এবং ফুটো করবেন সেটাকে হালকা ভাবে নিচরে কাটার দিকটা মুচড়ে নিতে পারনে। নিচের ছবির মত। এতে অন্য কাটা অংশটায় সহজে ঢুকাতে পারবেন। একটা ক্যান অন্যটার উপর বসিয়ে একটা কাপড় দিয়ে ধরে আস্তে আস্তে করে চেপে একটাকে ওন্যটার উপর ঢুকিয়ে দিন।



ছবি:- এভাবে। 






ছবি:- চেপে চেপে একটার ভেতর অন্যটা ঢুকিয়ে দেওয়া হলো।

চুলা বানাননো প্রায় শেষ। এখন পেপার পিন / ক্লিপ বোর্ড পিন দিয়ে ছিদ্র করে নিন। ছিদ্র আপনি যদি চান আস্তে আস্তে খাবার না পুড়িয়ে রান্না করতে তাহলে অল্প মাত্র ৯টা করলেই হবে। আর টপ বা ফুয়েল দেয়ার জন্য মাঝখানে ৩টা। কিন্তু যদি চান বেশি তাপ। এবং দ্রুত রান্না। তাহলে বেশি ছিদ্র করতে পারেন। ছিদ্র করার সময় অবশ্যই একটা ছিদ্র হতে অন্য ছিদ্রটার দুরত্ব যেন সমান হয়। এটা ইম্পটেন্ট। এজন্য আপনি চাইলে ছিদ্র করার আগে একটা মার্কার দিয়ে মার্ক করে তার পর ছিদ্র করুন।
ছবি:- ক্লিপ বোর্ড পিন।

এরপর আমি যেটা করি সেটা হলো সিরিজ কাগজ দিয়ে ঘষে ঘষে এর রং তুলে একে সিলভার কালার করে ফেলি। এটা আসোলে স্টোভটাকে সুন্দর করার স্টেপ। নিচের ছবিতে নিশ্চয় দেখতে পাচ্ছেন কিভাবে চুলাটার ফুটো করা হয়েছে ? একটা থেকে অন্যটার দুরত্ব সমান। আর সিরিজ কাগজ দিয়ে এই সিলভার কালারটা করা না করা আপনার ইচ্ছে।



ছবি:- পুর্ণ চূলা । ঘষা মাজার পর।

এখন চুলা বানানো শেষ। এটাকে ধরাবেন কি দিয়ে ? ফুয়েল হিসাবে ব্যাবহার করতে পারেন স্প্রিট যেটা কাঠের বার্ণিসে আসবাবে ব্যাবহার করা হয়। এছাড়া মোবাইলের মাদারবোর্ড পরিস্কার করার জন্য মেকানিক রা যে থিনার ব্যাবহার করে ওটাও ব্যাবহার করতে পারেন। ফুয়েলের ব্যাপারে বিস্তারিত নিচের নোটে লিখা হলো। তো প্রথমে স্টোভটাকে এমন স্থান রাখুন যেখানে অন্য কিছুতে আগুন ধরার চান্স নেই। তার পর পরিমান মত বা স্টোভের পুর্ণ করে ফুয়েল ( স্প্রিট / থিনার ) ভেতরে দিন। এরপর একটা কয়েন দিয়ে ছিদ্র গুলা বন্ধ করে আরেকটু ফুয়েল দিয়ে আশ পাশে একটু ছড়িয়ে দিয়ে আগুন দিন। ধরে যাবে। প্রথম বার না হলে আবার একি স্টেপে ট্রাই করুন। নিচের ছবি গুলা দেখুন।



ছবি:- এভাবে ফুয়েল দিন।

ছবি:- কয়েন দিয়ে ফুয়েল একটু ছড়িয়ে দিন।

ছবি:- দুর থেকে আগুন দিন।

ছবি:- সরি ফুয়েল একটু বেশি ছড়িয়ে গেছে।


ছবি:- আধারে।

হয়ে গেছে বানানো ? এবার বলুন কিভাবে পাতিল এর উপর বসাবেন ? নিজে নিজে একটা পট স্টেন্ড এবং ওয়াইন্ড স্ক্রিন বানিয়ে ফেলুন। জংগলে বা পাহাড়ে গেলে আপনি পাথর বা ভজা কাচা গাছ ব্যাবহার করতে পারেন। (তাই বলে আবার দা দিয়ে একটা ভাল গাছ কেটে ফেলবেননা। নেচারে রান্না করতে গিয়ে নেচার নষ্ট করার মানে হয়না। ) আমি সাধারণত নিচের স্ট্যান্ডটাই ব্যাবহার করি। ছবিটা সিতাকুন্ডের একটা ঝরনার পাশে আমার রান্না করার সময়।

ছবি:- সিতাকুন্ডে রান্না চলছে।

ইউটিউব ভিডিও দেখতে পারেন । কাজ দেবে:-




আমাকে ফুয়েলের আইডিয়াটা দেওয়ার জন্য sojol ভাই আর ইনস্পায়ার করারা জন্য অনলাইন কয়েকটা ওয়েবসাইট ও ফয়সাল কাইয়ুম ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

[ নোট :- ক্যান হিসাবে আপনি মাউন্টেন ডিউ ক্যান ব্যাবহার করতে পারেন। দাম প্রতিটি ১৬০ টাকা। পাবেন স্বপ্ল , আঘোরার মত স্টোর গুলায়। দুটা যেহেতু কিনবেন একটা আমাকে খেতে দিতে পারেন। :D । আর দাম কমে চাইলে বিয়ার ক্যান ব্যাবহার করতে পারেন। দাম ৮০-১২০ টাকা করে। এটা খেতে পারি লুকিয়ে লুকিয়ে । আর ফ্রি চাইলে যেখানে মানুষ বিয়ার খায় .. এই যেমন পার্ক , বিচের পাশে টোকাই গিরি করতে পারেন।


ফুয়েল:- যে কোন হার্ডওয়্যারের দোকানে গিয়ে বলবেন স্প্রিট দিতে। স্প্রিট অনেক প্রকার ২৫ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা পাউন্ডের ও আছে । আমি চট্রগ্রামের একটা হার্ডওয়্যার সপ থেকে কিনি ২৫ টাকা পাউন্ড করে। এক পাউন্ডে একটা ওভার নাইট ট্রিপ চলে যায়। ২৫ টাকার স্প্রিট টাকে ওরা ক্যামিকেল স্প্রিট নামেই চেনে। কোন গন্ধ নেই , হলুদ কালারের।]

ব্যাকপ্যাক
ব্যাকপ্যাক

ব্যাকপ্যাকিং লিস্ট

গরম কালের জন্য প্যাকিং লিস্টঃ 

 বাংলাদেশে সাধারনত মার্চ থেকে জুলাই মাস গরম কাল। 

ক্যাম্পিং গিয়ার্সঃ

[১] ব্যাকপ্যাক- (৪০-৫০লিটার) পিঠের উপর ভালো মানের ব্যাকপ্যাক আরামদায়ক ট্রেকিং এর প্রথম শর্ত। এমন ব্যাগ নেয়া উচিৎ যেগুলার কোমর আর বুকে স্ট্র্যাপ আর পিছনে একটা শক্ত ফ্রেম আছে। এমন ব্যাগের ওজন যতই হোক এটা নিয়ে ট্রেকিং করতে কষ্ট হবে না। সমস্ত ওজন সমান ভাবে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে যাবে। কোন এক দিকে ঝুলে পরবে না।

[২] ডে প্যাকঃ (২০-২৫ লিটার) বড় ব্যাগের সাথে একটা ছোট ব্যাগ থাকলে সবসময় কাজে দেয়। ক্যাম্প থেকে আশ-পাশের জায়গা রেকি করতে যাওয়া, একদিনের জন্য আশেপাশের কোথাও হুটহাট চলে যায়র জন্য কাপড়ের একটা হালকা ঝোলা ব্যাগ সবসময় আমার ব্যাগে থাকে।

[৩] ক. ট্রেকিং বুট- যে যেই ধরনের বুট/কেডস পরে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। তবে ভালো গ্রিপের গোড়ালি পর্যন্ত প্রটেক্টেড আর্মি বুট ট্রেকিং এর জন্য ভালো। পাথরের উপর পিছলে গেলে পা মচকানোর চান্স কম থাকে।

খ. স্যান্ডেল- ঝিড়ির পানিতে বুট ভিজে গেলে আমার অনেক বাজে লাগে। তাই বান্দরবানে ট্রেকিং এর জন্য আমি সবসময় ভালো গ্রিপের স্যান্ডেল ই ব্যবহার করি। তবে কেউ বুট নিয়ে গেলেও সাজেস্ট করব একটা হালকা দেখে প্লাস্টিকের স্যান্ডেল সাথে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ট্রেকিং এর সময় ছাড়া ও ক্যাম্পের আশে পাশে ঘুরার জন্য আর টয়লেট জাওয়ার সময় একটা স্যান্ডেল লাগবেই।

[৪] ক. টেন্ট- বান্দরবানের মোটামোটি সব জায়গাতেই পাড়া আছে। পাড়া গুলোতে থাকার ও সুব্যবস্থা আছে। তবে টেন্ট এ থাকার মজাই আলাদা।একটা ভালো জায়গা খুঁজে বের করা, জায়গা টা পরিষ্কার করা, টেন্ট পিচ করে ক্যাম্প সেট আপ করা- এটাই তো মজা।

খ. গ্রাউন্ড শিট- টেন্টের চাইতে একটু বড় পলিথিন বা ওয়াটার প্রুফ কাপড়ের টুকরো। টেন্টের নিচে এটা ভিছিয়ে নিলে টেন্ট ময়লা হয়না, পানি ঢুকার চান্স কমে যায়। তা ছাড়া এটাকে যে কোন জায়গায় ভিছিয়ে যখন-তখন ল্যাটানো যায়।

[৫] স্লিপিং ব্যাগ- বান্দরবান বড়ই আজিব একটা জায়গা। গরমের সময়ে দিনের বেলা গা পুড়ে যাবে কিন্তু রাতের বেলা একটা সব সময় একটা ঝিড়ঝিড়ি ঠান্ডা ভাব থাকবে। ঝিড়ির পাশে ক্যাম্প করলে তো কথাই নাই। তাই রাতের বেলা আরামে ঘুমানোর জন্য হাল্কা স্লিপিং ব্যাগ অনেক কাজে দেয়। আর যদি কেউ স্লিপিং ব্যাগে স্বাচ্ছন্দবোধ না করে তাহলে পাতলা কুইল্ট (শীতবস্ত্র বিতরনী কম্বল) নিয়ে গেলেই হল। গুলিস্তানের ফুটপাতেই বিক্রি হয়। ১০০-১৫০টাকার মত দাম নিবে।

[৬] হেড ল্যাম্প/ টর্চ-

[৭] পলিব্যাগ- ব্যাগের সব কিছু যেন শুকনো থাকে তাই একটা বড় পলিথিন ব্যাগ।

[৮] স্লিপিং ম্যাট- অপশনাল। কেউ যদি একটু বেশি আরাম করে ঘুমাতে চায় আর কি।

[৯] হ্যামক- এটাও অপশনাল।

ক্যাম্পিং এর তৈজসপত্রঃ


[১] মগ- এলুমিনিয়ামের মগ (সিলভাবের মগ নামেই যা বেশি পরিচিত)। এটা একটা থাকলেই আর কিছু লাগে না। এক মগ দিয়েই পানি, চা, স্যুপ, ভাত, ন্যুডলস রান্না করা আর খাওয়া যায়।

[২] পেনি স্টোভ- ৫ গ্রাম ওজনের হালকা, সস্তা বিয়ার ক্যান দিয়ে নিজ হাতে তৈরি স্পিরিট স্টোভ। বান্দরবানের জন্য আদর্শ। এ সম্পর্কিত আমার একটি পোস্ট আছে। দেখতে পারেন "পকেট চুলা কিভাবে বানাবেন ?(হাইকিং এন্ড ক্যাম্পিং গিয়ার)"

[৪] মিথাইলেটেড স্পিরিট- পেনি স্টোভের জ্বালানি। দুই জনের টিমের ৪-৫ দিনের ট্রেকিং এর জন্য ২৫০ মিলি লিটার স্পিরিট যথেস্ট।

[৫] পানির বোতল- ৫০০ মিলি করে ২টা

[৬] মাল্টি টুলস- অনেক প্রয়োজনীয়

[৭] টেবিল চামচ- ওজন কমানোর জন্য শক্ত প্লাস্টিকের হলে ভালো হয়।

[৮] ময়লার ব্যাগ- ক্যাম্পিং এর ফলে যত ধরনের ময়লা হবে সব এই ব্যাগে ভরে নিয়ে নিজের সাথে নিয়ে আসার জন্য।

[৯] ম্যাচ/ ফায়ার স্টার্টার/ লাইটার

[১০] ছুরি/ব্লেড/কাঁচি

ক্যাম্পিং এর রেশনঃ (যদি খাবারের হোটেল না থাকে)

[১] চাল- পোলাও এর চাল হলে ভাল হয়। পোলাও এর চাল তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়। আমি শুধু মাত্র রাতে একবেলা ভরপেট ভাত খাওয়া সাজেস্ট করি। একবেলার জন্য ৮০-১০০ গ্রাম (প্রয়োজন মত)। এই হিসাবে ৫ দিনের জন্য এক জনের লাগে ৫০০ গ্রাম চাল।

[২] ডিম- চালের ভিতর ২/৩টা ডিম ঢুকিয়ে দিলেই আর ভাঙবে না।

[৩] শুটকি ( গরু, মুরগী, চিংড়ি) ( প্রয়োজন মত)

[৪] পেঁয়াজ ( প্রয়োজন মত)

[৫] আলু ( প্রয়োজন মত)

[৬] মশলা ( প্রয়োজন মত)

[৭] লবন ( প্রয়োজন মত)

[৮] চা পাতা (প্রয়োজন মত)

[৯] চিনি (প্রয়োজন মত)

[১০] ডাল (প্রয়োজন মত)

[১১] সরিষার তেল (প্রয়োজন মত)

[১২] চকলেট, লজেন্স, আচার, খেঁজুর... ( প্রয়োজন মত)

ক্যাম্পিং এর জামা-কাপড়ঃ

[১] ট্রাউজার- ২টা। থ্রি ইন ওয়ান হলে ভালো হয়। যেগুলা কে চেইন খুলে ফুল থেকে থ্রি-কোয়ার্টার বা হাফ প্যান্ট বানিয়ে ফেলা যায়।

[২] টি-শার্ট- ২টা

[৩] মোজা- ২ জোড়া

[৪] মাথার ক্যাপ/ স্কার্ফ

[৫] পঞ্চো/ রেইন কোট- সব সময়ে সাধারনত বৃষ্টি হয় না। তবে বলা তো যায় না। তাই এইটাকে সব সময় সাথে রাখা টাই বুদ্ধিমানের কাজ।

[৬] আন্ডারওয়ার- ( প্রয়োজন মত)

[৭] গামছা- এইটা দিয়েই আমি মাথার ক্যাপ/স্কার্ফ আর শরীর মুছার কাজ করি।

[৮] সান গ্লাস

টয়লেট্রিজঃ

[১] টুথ পেস্ট ( মিনি প্যাক) টিমের মধ্যে একটা থাকলেই চলবে।

[২] টুথ ব্রাশ

[৩] ছোট সাবান

[৪] টয়লেট টিস্যু

[৫] মশা তাড়ানি ক্রিম (ওডোমস)

[৬] পেট্রোলিয়াম জেলি


ন্যাভিগেশনঃ 

[১] ম্যাপ

[২] কম্পাস

[৩] জিপিএস


ইমার্জেন্সি কিটঃ


[১] সুঁই-সুতাঃ এটা অনেক দরকারি জিনিস। হেলাফেলা করবেন না।

[২] সেফটি পিন

[৩] সারভাইভাল কিট

[৪] ২০ ফিটের মত চিকন আর শক্ত দড়ি।

ঔষধ-পত্রঃ

এন্টি ম্যালেরিয়াল প্রফাইলেক্সিসঃ বান্দরবান ম্যালেরিয়ার জন্য বিখ্যাত। গত কয়েক বছরে আমার বন্ধুদের মধ্যে ৪-৫জন বান্দরবানে গিয়ে ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে গেছে। তাই বান্দরবান যাওয়ার আগে অবশ্যই কোন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ম্যালেরিয়ার প্রফাইল্যাক্সিস ঔষধ গুলো খেয়ে যাবেন। সাধারনত ম্যালেরিয়া প্রবন এলাকে তে যাওয়ার এক সপ্তাহ আগে থেকে ঔষধ খাওয়া শুরু করতে হয়।

নিচে কয়েকটি প্রয়োজনীয় ঔষধের নাম দিয়ে দিলাম।


[১] প্যারাসিটামল- জ্বর, হাত-পা ব্যাথা, শরীর ম্যাজম্যাজ করার জন্য।

[২] এসিক্লোফেনাক – পেইন কিলার। ব্যাথা যখন বেশি হবে। ব্যাথা কম হলে প্যারাসিটামল খেলেই চলবে।

[৩] ওমেপ্রাজল- গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আর পেইন কিলার খাওয়ার আগে অবশ্যই এটা খেতে হবে।

[৪] ডি- লোরাটিডিন – এন্টি-হিস্টামিন। সর্দি আর এলার্জির জন্য।

[৫] মেট্রোনিডাজল- আমাশয় এর জন্য।

[৬] টলপেরিসন হাইড্রোক্লোরাইড- মাসল পেইন এর জন্য।


** খাবার স্যালাইন- অন্য কোন ঔষধ লাগুক চাই না লাগুক, গরমের মধ্যে এটা লাগবেই। শরীরে পানি শূন্যতা যেন না হয় তাই ঘন ঘন পানি খাবেন। ঘামের সাথে শরীর থেকে প্রচুর লবন ও বেড়িয়ে যায় তাই কাজে দিবেই। প্রতিদিনের জন্য ৩-৪ প্যাকেট ও.আর.এস সাথে নিয়ে যাবেন।


[ যে কোন ঔষধ খাওয়ার আগে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন]


আমি এখানে যা যা ব্যবহার না করলেই না বা ব্যবহার করলে ট্রেকিং আর ক্যাম্পি আরামদায়ক হবে শুধু মাত্র সেগুলাই উল্লেখ করেছি। এ ছাড়া ও আরও অনেক কিছু আছে যা আপনার প্রয়োজনীতা অনুযায়ি লিস্টে থাকতে পারে। যেমনঃ সানস্ক্রিন, দূরবিন, ঘড়ি ইত্যাদি।এই মুহুর্তে আর কিছু মনে পরছে না। মনে পরলে পরে আপডেট করে দিব।

কিপ ট্রাভেলিং, স্টার্ট ব্যাকপ্যাকিং !

Tour on budget
Budget travel
Cheap places to travel
বাংলাদেশ
খবর

========================================================================


মন্তব্য অথবা কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করুন।

পাসপোর্ট কাহিনি
পাসপোর্ট কাহিনি

পাসপোর্ট কাহিনি - কোথায় ? কিভাবে ?


পাসপোর্ট কাহিনি..... ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

আগেই বলে রাখি পোস্টটি অনেক বড় হবে, এই পোস্টে খুঁটিনাটি সব দেওয়ার চেষ্টা করেছি। 

  • কোথায় টাকা জমা দিবেন? 

Sonali Bank.Dhaka Bank, Bank Asia, Premier Bank, One Bank and Trust Bank

  • কত টাকা জমা দিতে হবে?

সাধারণ ৩০০০+৪৫০ ভ্যাট জরুরি ৬০০০+৯০০ ভ্যাট 

  • কোথায় ফর্ম পুরন করবো? 

অনলাইন এ http://passport.gov.bd 

  • আমার কম্পিউটার নাই/পারিনা? 

যে কোন কম্পিউটার এর দোকানে চলে যান,তাদের কে বললে টাকার বিনিময় করে দিবে 

  • যদি ফর্ম এ ভুল করি? 

কয়দিন আগে করতে হবে? আবার পুরন করবেন,ফর্ম সাবমিট করার থেকে ১৫দিন সার্ভার এ থাকবে ৬>ফর্ম পুরনে কোন সাজেশন? নিজে করলে ইন্সট্রাকশন ফাইল নামিয়ে দেখে দেখে করবেন, যা http://passport.gov.bd অনেকের ন্যাশনাল আইডিতে বাবা,মার নামের আগে মৃত/late লেখা থাকে যা ফর্ম এ দিবেন না হাতে লেখার থেকে অনলাইন এ করলে ভালো। ৭> কখন অফিসে যাবো? ৮টার আগে ৯.১৫ তে লাইন এ যাবেন ৯.৩০ থেকে কাজ শুরু ৮> কি কি নিবো সাথে? ১টা কলম,আঠা,স্টেপ্লার অন্য সব পেপার ৯> ফর্ম এ কি সব আঠা দিয়ে লাগাতে হবে? ব্যাংক এর স্লিপ আঠা দিয়ে বাকি সব পিন করতে হবে। ১০>এরপর প্রথম আপনার সব ফাইল প্রি চেক করবে সাথে সাথে বলে দিবে কয় তালায় যেতে হবে (৩ তালা) আগের এম আর পি থাকলে /আগের পাসপোর্ট থাকলে আর্মি ১টা ফর্ম দিবে সেটা সাথে সাথে পুরন করে দিয়ে দিবেন ১১> ৩ তালায় গিয়ে কি করবো? নতুন আর পুরানো ২টা লাইন দেখবেন, সেখানে আপনার পেপার এ সিল মারা হবে ১২>এরপর সিল মারা শেষ করে সোজা ৪ তালায় আপনার বদনের ছবি তোলা হবে এবং আপনার ধৈয্য পরিক্ষা করা হবে ১৩>কেন ভাই কি হবে ৪তালায় আপনি কত আগে যাবেন তার উপর নির্ভর করবে আপনি কত আগে ছবি তুলবেন। ১৪>এরপর ১টা কাগজ ধরাইয়া দিবে যা নিয়া আপনি বাসায় চলে আসবেন, সব কিছু লেখা থাকবে ১৫>ভাই পুলিশ রে কত দিতে হবে বললেন নাতো? পুলিশ আপ্নারে ফোন দিবে অথবা যেতে বলবে ১৬>কিছু কি নিয়ে যেতে হবে অব্যশই, নিবেন না মানে, আপনার ভোটার আইডি কার্ডে যাদের নাম আসে সবার ভোটার আইডি কপি আর ঠিকানার নামে পানি,কারেন্ট বিল এর কপি ১৭>তাদের কত দিতে হবে ভালো প্রশ্ন, নরমালি ৫০০ যদি ব্যাবসায়ি হন ১০০০ নিবে মাস্ট প্রেজেন্ট আর পার্মানেন্ট ঠিকানা একি না হলে ১০০০ মাস্ট 


#টিপস_এন্ড_ট্রিক্স
*আগে যাবেন আগে পাবেন এটা মাথায় রাখুন
*দালাল ধইরা লাভ নাই,সে শুধু আপনাকে লাইনের কয়েকটা মানুষ এর সামনে ঢুকাইতে পারবো এ ছাড়া সব আপ্নের করতে হইবো
*মাইনশের কথা শুনবেন হুদাই, কারন আমি নিজে ৩ জন রে লাইনের লাস্টে পাঠাইছিলাম, এখন সবাই সচেতন
*ফর্ম টা ঠিক মত পুরন কইরেন, পেপার এর সাথে না মিল্লে ঝামেলা
*আর্মিরা সার্ভিস দেয়,তারা অনেক হেল্পফুল। কোন প্রব্লেম তাদের জানান
*ছবি তুলতে কমপক্ষে ২-৩ ঘন্টা লাগবে, আমার ও এমন সময় লাগসে
*আপনি যখনি যান না কেন ১২০০ লোকের পাসপোর্ট ডেইলি করা হয়, কোন টেক্নিকাল প্রব্লেম না হলে সেই দিন ছবি তুলতে পারবেন অন্যথায় পরের দিন
*২টা ফর্ম প্রিন্ট/পুরন করবেন সাথে নিয়ে যাবেন
*সাদা/লাইট কোন কাপর পরে যাবেন না। বের করে দিবে
*কোন অফিসার পরিচিত থাকলে তাকে ধরেন, ছবি তাড়াতাড়ি তুলতে পারবেন ( সত্য কথা)
*বুইজা শুইনা সিওর হইয়া লাইনে দারাইয়েন, হুদাই নিজের সময় নস্ট কইরেন না।
*বাসা থেকে সব ঠিক কইরা নিয়া যাইয়েন অথবা জিনিস গুলা নিজের কাছে রাইখেন, হুদাই কেন টেকা আর সময় নস্ট করবেন।
*যদি প্রেজেন্ট আর পার্মানেন্ট ঠিকানা একি না হলে পুলিশ রে রিকোয়েস্ট করবেন যাতে ২টা ভেরিফিকেশান ১সাথে করে দেয়,কিছু টেকা বেশি যাইবোগা বাট সময় বাজবো কমকরে হইলেও ৭-১০দিন।

আর কিছুই মনে পরতাসে না, মনে পরলেও লাভ নাই এরপর যা হইবো সেই দিনের সিচুয়েসান বুইজ্জা করবেন। প্লিজ এর পর আর কেও কিছু জিগাইয়েন না। সবাই ভালো থাকবেন, কেও লাইক/ধন্যবাদ না দিয়ে যাবেন না।

এবার আসি বিবরন এ............... 

বাংলাদেশে বর্তমানে পাসপোর্টের আবেদন করার প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে । কিন্তু ইন্টারনেটে যেসব প্রক্রিয়ার বিবরন দেয়া আছে সেগুলোর তথ্য অসম্পূর্ন অথবা পুরনো হয়ে গেছে । আমি এখন চেষ্টা করবো সেই সব তথ্যগুলোকে হালনাগাদ বা সংশোধন করে ২০১৬ সালে যে পদ্ধতিতে পাসপোর্টের আবেদন জমা নেয়া হয় তার পরিপূর্ন প্রক্রিয়া বর্ণনা করতে । এটি আমার প্রথম পোস্ট , অনেক ক্ষেত্রেই ভুল হতে পারে, আশা করি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ভুল সংশোধনের সু্যোগ দিয়ে আমাকে উৎসাহিত করবেন ।

###অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন প্রক্রিয়া যেভাবে সম্পন্ন করবেনঃ

***১ম ধাপ : টাকা জমা দেওয়া

  • অনলাইনে পাসপোর্ট করতে হলে প্রথমে টাকা জমা দিতে হবে। কেননা অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেওয়ার তারিখ , ব্যাংকের নাম , ব্যাংকের শাখা এবং জমা দানের স্ক্রল নম্বর উল্লেখ করার প্রয়োজন হয়। তাই ফর্ম পূরণের আগে টাকা জমা দিতে হবে।
  • রেগুলার ফি ৩,৪৫০ টাকা (+১০ টাকা ভ্যাট) এবং জরুরি পাসপোর্ট করতে হলে তার ফি ৬,৯০০টাকা (+১০ টাকা ভ্যাট) । রেগুলার ফিতে পাসপোর্ট পেতে সময় দেয়া থাকে আবেদনের দিন থেকে ২১ দিন (কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট পেতে বিলম্ব ও অন্যান্য কারনে পাসপোর্ট পেতে বর্তমানে কমপক্ষে ১ মাস অথবা বেশি লাগে ), জরুরিভিত্তিতে করতে চাইলে আবেদনের দিন থেকে ১০ দিন পর পাসপোর্ট প্রদানের তারিখ দেয়া হয় ( কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট পেতে বিলম্ব ও অন্যান্য কারনে পাসপোর্ট পেতে বর্তমানে কমপক্ষে ১৫ কার্যদিবস লাগেই ) ।
  • সোনালী ব্যাংক সহ আর ৫টি ব্যাংকে পাসপোর্ট ফি জমা নেয়া হয় ।
  • ব্যাংকের রিসিট ২-১ টি ফটোকপি করে রাখুন ।
  • বর্তমানে অনলাইনেও পাসপোর্ট আবেদনের টাকা জমা নেয়ার ব্যবস্থা আছে কিন্তু পদ্ধতিটি আমার জানা নেই ।


***২য় ধাপ : অনলাইনে ফর্ম পূরণ করা

অনলাইনে ফর্মপূরণের জন্য প্রথমে পাসপোর্ট অফিসের http://www.passport.gov.bd/Default.aspx সাইটে যেতে হবে , তারপর “I have read the above information and the relevant guidance notes” টিক চিহ্ন দিয়ে “continue to online enrollment” এ ক্লিক করতে হবে।
  • প্রথমে পার্সপোট টাইপ দিতে হবে “ordinary”. Delivery Type অংশে ২১ দিনের জন্য হলে Regular এবং ১০ দিনের জন্য হলে Express সিলেক্ট করতে হবে।
  • আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি- যেমন: নামের বানান, পিতা-মাতার নাম যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেট কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো একই হয়। কোনো তথ্য ভুল হলে পাসপোর্টে হতে সমস্যা হবে।
  • মেইল অ্যাড্রেস ও মোবাইল নম্বার দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই যেটি ব্যবহৃত হচ্ছে সেটি দেওয়া উচিত। যে অংশগুলো লাল স্টার মার্ক (*) দেওয়া রয়েছে, সেগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে। তারপর ভালমত বুঝে বুঝে সাবধানে প্রতিটি প্রয়োজনীয় ধাপে সঠিক তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরন সম্পন্ন করুন ।
  • সম্পূর্ণ ফর্মটি পূরণ হলে পুনরায় এটি চেক করতে হবে। সব তথ্য টিক আছে কি না, তা যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে। সবশেষে পূরণ করা ফর্মটি সাবমিট করতে হবে। সফলভাবে সাবমিট করা হলে পূরণ করা ফর্মের একটি পিডিএফ কপি যে ই-মেইল আইডি দিয়ে ফর্ম পূরণ করা হয়েছে, সেখানে চলে আসবে , আবার নাও আসতে পারে তবে এটা কোন সমস্যা না , উক্ত পেজ এ পিডিএফ কপি ডাউনলোডের লিঙ্ক দেয়া আছে অথবা উক্ত ওয়েবসাইট থেকে পরবর্তীতে Application ID ও Password দিয়ে আবেদন ফর্মের পিডিএফ কপি যতবার ইচ্ছা ডাউনলোড করা যাবে ।
  • অনলাইন অথবা হাতে লিখা কোন ক্ষেত্রেই আগে থেকে ছবি তোলার তারিখ নির্ধারন করার অপশন নাই কারন উভয় ক্ষেত্রে যেদিনই আবেদনপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাবেন ওই দিনই আপনার ছবি তোলা সহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য আপনাকে একটি আলাদা ডকুমেন্ট দেবে এবং পাসপোর্ট সংগ্রহ করার তারিখও ডকুমেন্টে লিখা থাকবে ।

***৩য় ধাপ : ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন

এবার পাসপোর্ট আবেদনের পিডিএফ কপির ২ কপি কালার প্রিন্ট করতে হবে। এতে প্রথম পৃষ্ঠার ১ নম্বর স্থানে আবেদনকারীর নাম কলম দিয়ে বাংলায় লিখতে হবে এবং ৩ নম্বর পাতায় স্বাক্ষর করার স্থানে আবেদনকারীকে সই করতে হবে। এবার আবেদনকারীকে নিজের ৫৫ × ৪৫ মিলিমিটার আকারের রঙিন ছবি (পাসপোর্ট সাইজ ছবি) একটি করে উভয় ফর্মে আঠা দিয়ে লাগানোর পর দুটো ফর্মই সত্যায়িত করতে হবে।ছবিটি এমনভাবে সত্যায়িত করতে হবে যেন সত্যায়নকারীর স্বাক্ষর এবং সীলমোহর এর অর্ধেক অংশ ছবির উপর আর বাকি অর্ধেক অংশ ফরমের কাগজে থাকে। পরিচিত কাউকে দিয়ে সত্যায়ন করালে ভাল । কারন উভয় আবেদনপত্রের ৪ নম্বর পৃষ্ঠায় সত্যায়নকারী কর্মকর্তার নাম, আবাসিক ঠিকানা ও ফোন নম্বার, পাসপোর্ট/জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর , স্বাক্ষর ও সীল লিখে নিতে হবে । এরই সাথে আবেদনকারীর নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি সত্যায়ন করে নিতে হবে (২টি করে) ।

***৪র্থ ধাপ : আবেদন পত্র জমা দেওয়ার আগে পুরো ফর্মটি রি-চেক

এখন ব্যাংকের রিসিট একটি ফর্মে ও রিসিটের ফটোকপি আরেকটি ফর্মে আঠা দিয়ে সংযুক্ত করতে হবে । রিসিটের উপরের অংশে আঠা লাগিয়ে তা পাসপোর্ট আবেদন ফর্মের ১ম পৃষ্ঠার ছবির স্থানের নিচে লাল কালিতে লেখা সতর্কতা মূলক অংশের উপর সংযুক্ত করুন ।

সকল পেশার মানুষের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত ফটোকপি ২টি আবেদন পত্রের সাথে সংযোজন বাধ্যতামূলক । পেশার ভিন্নতার জন্য এর সাথে কয়েকটি কাগজ যুক্ত করতে হয় , যেমন

  • পেশা ছাত্র হলে শুধুমাত্র SSC certificate এর সত্যায়িত ফটোকপি (student id card দরকার নেই )
  • পেশা ব্যবসায়ী হলে টি আই এন সনদের সত্যায়িত ফটোকপি (ssc certificate ফটোকপি দরকার নেই )
  • পেশা Private service হলে সম্ভবত job appointment letter অথবা চাকরি প্রমান সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সংযুক্ত করতে হয়(sure না)
  • আর পুরাতন পাসপোর্ট Renew করতে হলে তার প্রথম কয়েকটি পৃষ্ঠার সত্যায়িত ফটোকপি
  • অর্থাৎ STUDENT পেশার পাসপোর্ট করতে হলে হলে শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি/ জন্ম নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত ফটোকপির সাথে SSC certificate এর সত্যায়িত ফটোকপি সংযুক্ত করলেই আবেদন পত্রটি সম্পুর্ণ হয়ে যায় ।
  • জন্ম নিবন্ধন সনদটি অনলাইন ভিত্তিক হতে হবে অর্থাৎ জাতীয় ডাটাবেজে আপনার জন্ম সনদটি আপলোড করা থাকতে হবে যেন পাসপোর্ট অফিস থেকে জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্চ দিলে আপনার ওই নিবন্ধনের তথ্য পাওয়া যায় 
  • অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৫ বছরের কম) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বাবা ও মায়ের একটি করে রঙিন ছবিও লাগবে যা আবেদন পত্রের প্রথম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশে নির্ধারিত স্থানে আঠা দিয়ে লাগাতে হয় ।

এসব ধাপ শেষ করলে ফর্মটি জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

***৫ম ধাপ : ফর্ম জমা দেওয়া এবং ছবি তোলা


অনলাইনে আবেদন করার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রস্তুতকৃত ফর্মটি নিয়ে যেতে হবে পাসপোর্ট অফিসে। পাসপোর্টের আবেদন ফর্ম সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত জমা নেয়া হয় । পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময় অবশ্যই সাদা পোশাক পড়া উচিত নয়। কেননা ছবি তুললে সাদা পোশাকে তা ভালো হবে না এবং তারা আপনার ছবি তুলবেই না । এজন্য রঙ্গিন পোশাক পড়ে যেতে হবে । আবারও বলছি , যেদিন আপনি আবেদন পত্র জমা দিতে যাবেন সেদিনই ছবি তোলা হবে , আপনি হাতে লিখা অথবা অনলাইনে আবেদনকারী যেই হন না কেন ।

জমাদানের প্রক্রিয়াঃ


  • আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে ঢুকার পর মেইন গেটের সাথে নিচে যে লাইন দেখবেন সেখানে সবার সাথে দাড়াবেন অর্থাৎ হাতে লিখা কিংবা অনলাইন আবেদনকারী যেই হন না কেন , প্রথম কাজ বা প্রথম লাইন একটাই । এখানে সকল আবেদনকারীকে আবেদনপত্রের জন্য সিরিয়াল নম্বর নিতে হয় । লাইন যত বড়ই হোকনা কেন এখানে সিরিয়াল নিতে ২০ থেকে ২৫ মিনিটের বেশি সময় লাগেনা কারন সেনা সদস্যরা দ্রুত সিরিয়াল বন্টন করেন ।
  • এর পর সিরিয়াল দিয়ে সেনা সদস্যরা অনলাইনে আবেদনকারী হলে ওই পাসপোর্ট ভবনের তিন তলায় ৩০৪ নম্বর রুমে পাঠান । ৩০৪ নম্বর রুমে মাঝে মাঝে লাইন একটু বড় থাকে আবার কখনো সামান্য থাকে ।তবে এখানেও ১০ মিনিটের বেশি সময় লাগেনা ।
  • ৩০৪ নম্বর রুমে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা আবেদনকারীকে নাম, পিতার নাম , পেশা সম্পর্কে সাধারন প্রশ্ন করে আবেদনকারীর পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে আবেদনটি নথিভুক্ত করেন । এরপর আবেদনকারীকে আবার নিচতলায় ১০২ নম্বর কক্ষে(টেবিলে) যেতে বলেন ।
  • ৩০৪ নম্বর রুমের কর্মকর্তা আবেদনে কোন অসঙ্গতি দেখলে আবেদনকারীকে কাগজপত্র চেক করার জন্য নিচতলার ১০১ নমর রুমে পাঠাতে পারেন ( অসঙ্গতি যেমন জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইন ভিত্তিক না হলে, অথবা আবেদনকৃত ফর্ম ও সংযুক্ত কাগজপত্রের বিভিন্ন নাম ও তথ্যে মিল না থাকলে , অথবা কোন কিছু ভুয়া মনে হলে ) ।
  • এরপর ৩০৪ নম্বর রুমের কাজ শেষ হওয়ার পর নিচতলার ১০২ নম্বর কক্ষে(টেবিলে) গেলে সেনা সদস্যরা আবেদন ফর্মে আবেদিত সিল মেরে দিবেন এবং ছবি তোলার জন্য একই ভবনের ৪০২ নম্বর রুমে পাঠাবেন , এখানে ছবি তোলার সিরিয়াল আছে তবে অনলাইনে আবেদনকারী হিসেবে পরিচয় দিলে সিরিয়াল নাও লাগতে পারে ।
  • ৪০২ নম্বর রুমে আপনার আবেদনপত্রগুলো রেখে সেখানকার অফিসার আপনার ছবি তুলবে, দুই হাতের আঙ্গুলের ছাপ ও ডিজিটাল স্বাক্ষর নিবে এবং তারপর আপনাকে রশিদ দেওয়া হবে তাতে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার তারিখ লিখা থাকবে। রশিদটি ভালো মত চেক করে রুম থেকে বেরিয়ে আসুন আর রশিদের তথ্যে কোন ভুল থাকলে রশিদে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করুন। এভাবে অনলাইনে আবেদন করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল ।
  • আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে ঢুকার পর থেকে ছবি তোলা শেষ করে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ ১ ঘন্টা লাগতে পারে ।


######### হাতে লিখে পাসপোর্টের আবেদন প্রক্রিয়া যেভাবে সম্পন্ন করবেনঃ

হাতে লিখে আবেদন করার ক্ষেত্রে http://www.passport.gov.bd/Default.aspx ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে অথবা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসগুলো থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে ।
তারপর ফর্মে *আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস মিশন/বাংলাদেশ মিশন এর শুন্যস্থানে <আগারগাঁও> অথবা যে অনুমোদিত অফিসে আবেদনপত্রটি জমা দেয়া হবে তার নাম লিখতে হবে । এরপর স্টার (*) চিহ্নিত শুন্যস্থানগুলো অবশই পূরন করতে হবে যা অনলাইনের আবেদনের নির্দেশনা মতই হবে , শুধু পার্থক্য হল এখানে হাতে লিখতে হবে আর অনলাইনে হলে কম্পিউটারে টাইপ করতে হয় । ২ টি ফর্ম শুদ্ধ ও নির্ভুল ভাবে পূরন করতে হবে যেভাবে অনলাইনে করতে বলা হয়েছে । এক্ষেত্রে ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার কাজটা আবেদনপত্র পাসপোর্ট অফিসে জমা দেয়ার পূর্বে করলেও চলবে । তারপর টাকা জমা দেওয়ার তারিখ , ব্যাংকের নাম , ব্যাংকের শাখা এবং জমা দানের রিসিটের নম্বর উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় ফর্মের ৩ নম্বর পৃষ্ঠার নির্ধারিত স্থানে । ফর্ম পূরন শেষ হলে তা অনলাইন প্রক্রিয়ায় বর্ণিত ৩ ও ৪ নম্বর ধাপের মত প্রসেসিং সম্পন্ন করতে হবে ।

জমাদানের প্রক্রিয়াঃ

  • সরকারী কার্যদিবসের যেকোন দিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে হাতে লিখা আবেদনপত্রটি নিয়ে রঙ্গিন পোষাক পড়ে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে ঢুকার পর মেইন গেটের সাথে নিচে যে লাইন দেখবেন সেখানে সবার সাথে দাড়াবেন । এখানে লাইনের শেষ মাথায় একটি টেবিলে সেনা সদস্যরা আপনার আবেদন পত্রে ঐ দিনের জন্য সিরিয়াল লিখে দিবেন ।
  • এরপর আপনাকে ওই টেবিলের সামনেই ১০৩ নম্বর কক্ষে যেতে বলবে, এখানে আপনার আবেদন পত্রে আবেদিত সিল দিয়ে দেয়া হবে । এখানে লাইন থাকলেও সময় ৩০ মিনিটের বেশি লাগবে না ।
  • এরপর আপনাকে ৪০৪ নম্বর রুমে যেতে বলা হবে যেখানে আপনার কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই হবে, সব ঠিক থাকলে আপনার আবেদন পত্র ২ টি রেখে আপনাকে ছবি তোলার রিসিট দেয়া হবে । এখানেও লাইনে দাড়াতে হবে সময় লাগবে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট । এবং পাশের ৪০৫ নম্বর রুমে ছবি তোলার জন্য লাইনে দাড়াতে বলা হবে, এছাড়া আরও ৩টি ছবি তোলার রুম রয়েছে । এখানে লাইনের জন্য ছবি তুলতে ১ ঘন্টা অথবা একটু কম বেশি-সময় লাগে ।
  • ৪০৫ নম্বর রুমে প্রবেশ করলে আপনার রিসিট নিয়ে প্রথমে ২হাতের আঙ্গুলের ছাপ, তারপর ডিজিটাল স্বাক্ষর নিয়ে ছবি তোলা হবে এবং আপনাকে রশিদ দেওয়া হবে। তাতে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার তারিখ লিখা থাকবে রশিদটি ভালো মত চেক করে রুম থেকে বেরিয়ে আসুন। এভাবে হাতে লিখে পাসপোর্টের আবেদন করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল ।
  • এভাবে হাতে লিখা আবেদনপত্র নিয়ে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে ঢুকার পর থেকে ছবি তোলা শেষ করে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট অথবা একটু কম-বেশি সময় লাগতে পারে ।



পুলিশ ভেরিফিকেশানঃ

বিষয়টি নিয়ে অনেকেই চিন্তিত থাকেন, অবশ্য বিষয়টি আমার কাছে ঝামেলার লাগেনি। পেশা ছাত্র হলে ভেরিফিকেশানের সময় পুলিশকে আবেদনকারীর Student id card দেখাতে হয় , অন্যান্য পেশার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পেশার স্ব্পক্ষ প্রমানের কাগজ দেখাতে হয় । এসব ক্ষেত্রে পুলিশকে অরিজিনাল কপি প্রদর্শন করতে হয় । সাধারন মানুষ যারা পুরনো পাসপোর্ট renew করাবেন শুধুমাত্র তাদের কোন পুলিশ ভেরিফিকেশান হবেনা । এছাড়া অন্য সকল ক্ষেত্রে Ordinary পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশান হবে । বিশেষ কারনে পুলিশ ভেরিফিকেশান সম্পর্কে আর বিস্তারিত নাই বললাম ।

***পাসপোর্ট সংগ্রহ:

রিসিটে কর্তৃপক্ষের দেয়া তারিখে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবেনা , বরং মোবাইলে confirmation পাসপোর্ট collection এর তারিখ জানিয়ে মেসেজ এলে তারপর পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে যেতে হবে । পাসপোর্ট অফিসের ২য় তলায় পাসপোর্ট ডেলিভারি দেয়া হয়, এখানে লাইনে দাঁড়িয়ে রিসিট জমা দিতে হবে, সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তা রিসিটের বারকোড কম্পিউটারে স্ক্যান করে দেখবেন পাসপোর্ট
তৈরি হয়েছে কিনা, পাসপোর্ট রেডি থাকলে সেনা কর্মকর্তা রিসিট রেখে দিবেন এবং পাশেই পাসপোর্ট প্রত্যাশী অপেক্ষারত অনেক মানুষের সাথে আপনিও অপেক্ষা করতে থাকবেন ।এই অপেক্ষার সময় সর্বনিম্ন ১ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ ৪ ঘন্টাও হতে পারে কারন পাসপোর্ট খুজে বের করতে নাকি সময় লাগে । সর্বদা সজাগ থাকুন কারন মাইকে আপনার নাম ঘোষনা হলো কিনা খেয়াল রাখতে হবে আর নাম ঘোষনা হলে আপনাকে কাউন্টারে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে ।

আমার অভিজ্ঞতাঃ

গত ৩১ শে মার্চ,২০১৬ সকাল বেলা আমি অনলাইনে আবেদন ফর্মের সাথে জন্ম নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত ফটোকপির ও SSC certificate এর সত্যায়িত ফটোকপি (পেশা ছাত্র) নিয়ে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে যাই, কিন্তু জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইনে চেকেবল না থাকার কারনে ওই দিন কাজ অসম্পূর্ন রেখে চলে আসি। পরের দিন ১লা এপ্রিল আমার জন্ম নিবন্ধন সনদ গ্রামের UP অফিস থেকে জাতীয় ডেটাবেজে আপলোড করার পর দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে পাসপোর্ট অফিসে যাই, শেষ সময় বলে কিনা জানিনা কোথাও একদমই সিরিয়াল বা ভীড় ছিলনা । পুরো আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আমার মাত্র ১৫ মিনিট সময় লেগেছিল । রিসিটে পাসপোর্ট সংগ্রহের তারিখ ছিল ১২ই এপ্রিল, কিন্তু আমার মোবাইলে confirmation মেসেজ আসে ১৯শে এপ্রিল সন্ধায় । পরের দিন ২০শে এপ্রিল পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে আমার সময় লেগেছিল ২ঘন্টা ৩০ মিনিট, অনেকে আবার ১ ঘন্টা দাড়িয়ে পাসপোর্ট পেয়েছিল কেউ কেউ আবার ৪ ঘন্টা পরও পাসপোর্ট পায়নি । অনেকের মোবাইলে একটি confirmation মেসেজ আসার পরও পাসপোর্ট তৈরি হয়নি , আবার অনেকে তিন মাস ঘুরেও অজানা কারনে পাসপোর্ট পাচ্ছিল না । তাই সামান্য ভোগান্তি হতে পারে
এমন মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে পাসপোর্ট তৈরি প্রক্রিয়া শুরু করা উত্তম হবে ।

কিছু লক্ষণীয় বিষয়:

*যে কোন সমস্যায় দায়িত্বরত সেনা সদস্যদের সহায়তা নিন।
*যে কোন সময় ব্যবহারের জন্য স্ট্যাপলার, পিন, আঠা, কলম ইত্যাদি সঙ্গে রাখবেন।
*কোন ভুল বা অসম্পুর্ন তথ্য দিলে ভোগান্তি আপনারই হবে
*যদি কোন ঝামেলা অথবা অন্যান্য কারনে একদিনে পুরো কাজ সম্পন্ন না করা যায় তাহলে পরবর্তী দিন আবার প্রথম থেকে প্রসেস শুরু করতে হবে, অর্থাৎ পাসপোর্ট অফিসের নিচের তলা থেকে আবার সিরিয়াল নিয়ে আবার পুর্বের ন্যায় কাজ করতে হবে ।
*এমআরপির আবেদন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাচ্ছে দেশের ১০টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। প্রতিটি আঞ্চলিক অফিসের অধীনে রয়েছে কয়েকটি জেলা। ব্যাংকের নাম , শাখা, পাসপোর্ট অফিসের ঠিকানা নিম্নের লিঙ্ক গুলো থেকে সংগ্রহ করুন ।
*আবেদন ফরম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। সংগ্রহ করার সময় নিজে না থাকলেও চলবে।
*আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যত না সময় লাগে তার থেকেও বেশি সময় লাগে আর ভোগান্তি হয় তৈরিকৃত পাসপোর্ট ডেলিভারি নিতে ।

আমি ইন্টারনেটের যে সকল লিঙ্ক থেকে তথ্য নিয়েছি (কপি করেছি )
১। http://www.techtunes.com.bd/tutorial/tune-id/293576
২। http://www.online-dhaka.com/53_327_19530_0-machine-readable-passport.html
৩। http://onlinekhobor.com/national/news/15527

আরও বিস্তারিত জানতে http://www.passport.gov.bd/Default.aspx দেখুন , অথবা উপরের লিঙ্ক গুলোতে দেখুন।  অনেক কিছুর বিস্তারিত ও খুটিনাটি অনেক কিছু বর্ননা করতে গিয়ে পোস্টটি বড় হয়ে গেল, যদি বিশাল এই পোস্টটি পড়তে গিয়ে কেউ বিরক্ত হন তাহলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন । পোস্টে আরও কিছু সংযোজন-বিয়োজন অথবা কোন কিছু জিজ্ঞাসার জন্য আপনাদের গঠনমূলক কমেন্টের আশায় রইলাম, আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো । সবাই ভালো থাকবেন, সবার জন্য শুভকামনা রইল ।


কিপ ট্রাভেলিং, স্টার্ট ব্যাকপ্যাকিং !

Tour on budget
Budget travel
Cheap places to travel
বাংলাদেশ
খবর

========================================================================


মন্তব্য অথবা কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করুন।



হঠাৎ করে পায়ের মাংসপেশিতে টান লেগে অনেকে ব্যথায় কঁকিয়ে ওঠেন। কোনোভাবেই তখন আর আরাম পাওয়া যায় না। অনেক সময় পা ভাঁজ করে রাখার পর হঠাৎ করে সোজা করলেও পেশিতে টান লেগে যায়। এটা ঘুমের মাঝে বা জেগে থেকেও হতে পারে।


কেন এমন হয়?
আমরা নিজেদের ইচ্ছানুসারে হাত বা পায়ের মাংসপেশী সংকুচিত বা প্রসারিত করে নড়াচড়া করি। কিন্তু আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হঠাৎ কোনো পেশী সংকুচিত হয়ে গেলে পেশীতে খিঁচুনি (spasm) তৈরি হয়। আর এটাকে আমরা পেশীতে খিল ধরা বা রগে টান বলি।
সাধারণত নিম্নোক্ত কারণে এ সমস্যা দেখা যায়-
ক. পানিশূন্যতা (Dehydration)
খ. স্নায়ু বা মাংসপেশীতে আঘাত
গ. রক্তে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের অভাব
ঘ. কোনো কোনো ঔষধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ায় (hypertension, cholesterol)
ঙ. কিছু ভিটামিনের অভাবে- বিশেষ করে ‘বি’ ভিটামিন (B1, B5, B6)
চ. আরো কিছু কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। যেমন : ধূমপান, মদ্যপান, হাইপোথাইরয়েডিজম, কিডনি ফেইলিওর, মেন্সট্রুয়েসন, গর্ভসঞ্চার ইত্যাদি।
- অনেক সময় বেশি পরিশ্রমের কারণে পায়ের পেশিতে এভাবে টান লাগতে পারে। পেশিতে টান লাগা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। পা সোজা করতে গেলে ব্যথা আরও বাড়তে থাকে।
- ধূমপায়ীদের পায়ে রক্ত চলাচল কমে যায় বলে সামান্য হাঁটাহাঁটিতেই পায়ে টান লাগে। একই কারণে ডায়াবেটিক ও কোলেস্টেরলের রোগীদেরও পায়ে ব্যথা হয়।
- গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন স্নায়ুতে চাপ পড়ে বলে পায়ে প্রায়ই টান লাগে।
- পায়ের পেশির দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত ব্যবহার, একভাবে দীর্ঘ সময় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা।


পেশীতে খিল কী করবেন?
ক. আক্রান্ত পেশীকে দ্রুত Relax (শিথিলায়ন) করতে হবে। এর উপায় হচ্ছে পেশী প্রসারিত করা। যা অতি দ্রুত আক্রান্ত ব্যক্তিকে আরাম দিতে পারে।
খ. তাপ চিকিৎসা মানে গরম সেঁক দেয়া যায় যদি পেশী শক্ত হয়ে বসে য়ায়।
গ. পেশী নরম, ব্যথাযুক্ত আর ফুলে গেলে ঠাণ্ডা সেঁক ‘Ice pack’ দেয়া যায়।
ঘ. বাম বা জেল দিয়ে মালিশ করা যেতে পারে।
ঙ. ইলেক্ট্রোলাইটিক ড্রিঙ্ক, যেমন-ওরাল স্যালাইন দেয়া যেতে পারে।
চ. দীর্ঘ মেয়াদে ভালো থাকতে শাকসবজি, ফল, দুধ, মাংস এবং খেজুর খান পর্যাপ্ত পরিমাণে। এই খাবারের মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণ পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।
ছ. নেশা থাকলে তা বাদ দিতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


পেশী সম্প্রসারণের (Muscle Stretching) নিয়ম
৹ যদি হাঁটুর নিচে পায়ের পেছনে টান লাগলে : পা সোজা করে ফেলুন, হাত দিয়ে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো ধরুন আর আপনার দিকে টানুন।
৹ উরুর সামনের দিকে হলে পা ভাঁজ করে ফেলুন, হাত দিয়ে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো ধরুন আর আপনার নিতম্বের দিকে টানুন।
৹ যদি উরুর পেছনে খিল লাগে, তাহলে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন। পা ভাঁজ করে হাটুঁ যতটুকু পারবেন বুকের দিকে নিয়ে আসুন। ধীরে ধীরে উরুর পেছনের পেশীতে হালকা মালিশ করুন।
ইন্টারনেট অবলম্বনে


*** ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক হিসেবে সবচেয়ে বেস্ট হলো 1. Tab Malarone (adult strength = 250 mg atovaquone/100 mg proguanil hydrochloride) & 2. Cap Doxycycline 100mg ২টাই খুব ভালো প্রতিষেধক। গ্রহনের নিয়ম হচ্ছেঃ Cap Doxycycline 100mg – ট্যুর শুরু করার ১/২দিন আগে থেকে শুরু করে যে কয়দিন ম্যালেরিয়া প্রবন অঞ্চলে থাকবেন ঐ কয়দিন প্রতিদিন ১টি করে রাতের খাবারের পর ভরা পেটে এবং ট্যুর শেষ করে আসার পর থেকে ২৮দিন পর্যন্ত। উদাহরন স্বরুপ ১টি ট্যুরের কথাই ধরুন –মনে করুন আপনার ট্যুর শুরু হচ্ছে ৭ই জুলাই। তাহলে আপনি খাওয়া শুরু করবেন ৫ই জুলাই থেকে। পার্বত্য অঞ্চলে থাকবেন ১০ই জুলাই পর্যন্ত। তাহলে ৫-১০ তারিখ পর্যন্ত আপনাকে খেতে হবে ৬টি ঔষধ। এবার ঢাকায় ফেরত এসে ১১ই জুলাই থেকে ২৮ দিন হিসাব করে আরো ২৮টি ঔষধ খাবেন ৭ই অগাস্ট পর্যন্ত......তাহলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মোট ঔষধ খেতে হবে ৩৪টি। সুবিধাঃ 1. খুব-ই সহজলভ্য,যেকোন ফার্মেসীতেই পাওয়া যায়, দামও অনেক কম। ১পাতা = ১০টার দাম ২০-২৫টাকা। অসুবিধাঃ 1. লম্বা শিডিউলের কারণে অনেকেই Dose মিস করে ফেলেন। Tab Malarone (adult strength = 250 mg atovaquone/100 mg proguanil hydrochloride) – ট্যুর শুরু করার ১/২দিন আগে থেকে শুরু করে যে কয়দিন ম্যালেরিয়া প্রবন অঞ্চলে থাকবেন ঐ কয়দিন প্রতিদিন ১টি করে রাতের খাবারের পর ভরা পেটে এবং ট্যুর শেষ করে আসার পর থেকে ৭ দিন পর্যন্ত। উদাহরন স্বরুপ ১টি ট্যুরের কথাই ধরুন –মনে করুন আপনার ট্যুর শুরু হচ্ছে ৭ই জুলাই। তাহলে আপনি খাওয়া শুরু করবেন ৫ই জুলাই থেকে। পার্বত্য অঞ্চলে থাকবেন ১০ই জুলাই পর্যন্ত। তাহলে ৫-১০ তারিখ পর্যন্ত আপনাকে খেতে হবে ৬টি ঔষধ। এবার ঢাকায় ফেরত এসে ১১ই জুলাই থেকে ৭ দিন হিসাব করে আরো ৭টি ঔষধ খাবেন ১৭ই জুলাই পর্যন্ত......তাহলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মোট ঔষধ খেতে হবে ১৩ টি। সুবিধাঃ 1. Latest Generation Drug এবং Worldwide এখন পর্যন্ত কোথাও Resistant হয় নি। 2. শিডিউল ছোট, মিস হবার চান্স কম, মনে রাখতেও সুবিধা। অসুবিধাঃ 1. দাম অনেক বেশি, ১ পাতা = ১২টার দাম ফার্মেসী ভেদে ১০০০-১৫০০টাকা। 2. সহজে পাওয়া যায় না, ঢাকার কিছু ফার্মেসীতে পাওয়া যায়। গুলশান ১, ২ গোল চত্ত্বরের কিছু ফার্মেসী (তামান্না ফার্মেসী), পান্থপথের Lazz Pharma’র পাশে “তাজরিন ফার্মেসী” তে পাওয়া যায় প্রায়-ই। *** অবশ্যই করণীয়ঃ ২টি ঔষধের ক্ষেত্রে অবশ্যই পালনীয় হচ্ছে – ভরা পেটে খেতে হবে এবং একই সময় মেইন্টেইন করতে হবে। সাজেশন হিসেবে আমরা, রাতের বেলা ডিনার এর পরে খেতে বলি কারণ ট্রেকিং এ অনেক ক্ষেত্রেই দুপুর বেলা তেমন ১টা খাওয়া হয় না। রাতে যেহেতু ট্রেকিং করা হয় না এবং কোন না কোন পাড়ায় থাকা-খাওয়া হয় তাই রাতের বেলাই সেবন করা উত্তম। *** সাথে অবশ্যই Odomos Cream রাখতে হবে মশা দূরে রাখার জন্যে। Lazz Pharma, Mitford Hospital এর ফার্মেসী গুলোতে পাওয়া যায়। *** বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ম্যালেরিয়া প্রবন অঞ্চল সমূহঃ - বান্দরবানের রুমা, থানচি এবং রোয়াংছড়ির পরে যেকোন এরিয়া। - খাগড়াছড়ির দিঘীনালা’র পর থেকে যেকোন এরিয়া। - রাঙ্গামাটির শহর থেকে ভিতরের দিকে যেকোন এরিয়া যেমন – ছোট হরিনা, বরকল, কাট্টলি বিল। *** ম্যালেরিয়া রোগ বাহিত মশা সাধারনত রাতের বেলা (অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশে) আক্রমন করে বেশি। http://www.cdc.gov/malaria/travelers/country_table/b.html http://wwwnc.cdc.gov/travel/yellowbook/2016/infectious-diseases-related-to-travel/malaria#4661�Cs��+�� f��
=========================================
যখনই আপনি ম্যালেরিয়া প্রবন এলাকায় যাবেন তার একদিন আগে থেকে Doxicyclin শুরু করবেন এবং যেদিন ফিরে আসবেন সেইদিন থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত প্রতিদিন ১ টা করে খেতে হবে। এই ভ্রমন পরবর্তী ২৮ দিনের মধ্যে যদি আবার ও কোনো ম্যালেরিয়া প্রবন এলাকায় যান তখন আবার একই নিয়মেই ফিরে আসার পর থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত ওষুধ চলবে। ধরুন আপনি জুলাই মাসের ১০ তারিখে ম্যালেরিয়া প্রবন এলাকায় যাবেন তাহলে ৯ ই জুলাই থেকে আপনি Doxicyclin শুরু করলেন ৪ দিন ভ্রমনে থাকা কালীন ওষুধ খেলেন এরপর ফিরে আসলেন তখন ২৮ দিনের ওষুধ চলতে থাকলো। এই ২৮ দিনের ওষুধ চলা কালীন সময়ের মধ্যেই অর্থাত ২৮ দিনের ১ দিনও বাকি থাকতে যদি আপনি আবার যান তাহলে ভ্রমন সময়ে ওষুধ চলতেই থাকবে এবং ফিরে আসার পরে ২৮ দিন পর্যন্ত চলবে। এখন আপনি নিজেই হিসাবটা করতে পারবেন। আপনার ক্ষেত্রে ৯ তারিখে শুরু করে ১৩ তারিখ পর্যন্ত ভ্রমনে থাকার সময়ের ৪ দিন এর পর ১২ দিন (২৫ তারিখ পর্যন্ত) মেইনটেইন ডোজ চলাকালীন সময়ে আবার ৩ দিনের (২৮ তারিখ পর্যন্ত ) ওষুধ চলল দ্বিতীয় বার ফিরে আসার পর মেইনটেইন ডোজ ২৮ দিন (২৬ সে আগস্ট পর্যন্ত ওষুধ একটানা ওষুধ চলবে)। ****হিসাবের সুবিধার্থে ৩০ দিনে মাস ধরা হয়েছেঅব্লোকুইন এর ক্ষেত্রেও হিসেবটা মোটামোটি একই শুধু একদিন আগের বদলে ১ সপ্তাহ আগে শুরু হবে এবং প্রতি দিনের বদলে সপ্তাহে ১ টা করে চলবে এবং চার সপ্তাহে ৪ টি ট্যাবলেট খেতে হবে ফিরে আসার পরে।

প্রসঙ্গ ক্রমে বলে রাখি যদিও Chloroquine (অব্লোকুইন) ম্যালেরিয়ার স্পেসিফিক ওষুধ তার পরেও এডভেঞ্চার টুরিস্ট দের ম্যালেরিয়ার জন্য আমি Doxicycline কেই এগিয়ে রাখি।এর বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে যেমন ১। অধিকাংস সময়েই আমরা হুট করে ২/১ দিনের নোটিশে টুর প্লান করে থাকি ফলে ১ সপ্তাহ আগের ক্লোরোকুইন খাওয়া পসিবল হয় না কিন্তু Doxicycline আগের রাত্রেই শুরু করে একই ফল পাওয়া যায়।২। Doxicycline পারা মহল্যার প্রায় সকল ওষুধের দোকানেই পাওয়া যায় যা Chloroquine এর ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।যদি আপনার কাছে ফুল ডোজ না থাকে কিংবা হারিয়ে যায় ৩। এডভেঞ্চার টুরে ম্যালেরিয়া ছাড়াও অন্য পোকা মাকড়ের কামর কিংবা ছোট খাটো কাটা ছেড়া থেকেও ইন্ফেকসনের ঝুকি থাকে যা Doxicycline কভারেজে খাকার কারণে হ্রাস হয়। Chloroquine এর ক্ষেত্রে এই বাড়তি সুবিধা নাই। ৪। সপ্তাহে ১ টা ওষুধ খেতে হয় বলে Chloroquine এর ডোজ ভুলে যাবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ৫। Chloroquine এর তুলনায় Doxicycline দামেও বেশ কম। ৬। Doxicycline দামে কম (একই সাথে লাভও কম) হবার কারণে ফার্মাসিতে বিক্রেতাদের কাছে কম জনপ্রিয়। ফলে যত্রতত্র ব্যবহার না হবার কারণে রেজিস্টান্স হবার সম্ভাবনা অনেক কম...........

থানচি রুমা সহ বান্দরবনের অনেক স্থানে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ দেখা দিছে...আপনারা যারা বান্দরবন যাবেন অবশ্যই অবশ্যই ম্যালেরিয়া প্রফাইলেক্সিস নিয়ে যাবেন...ম্যালেরিয়ার ৪ টা স্পিছিস এর মধ্যে খারাপ 'প্লাজমডিয়াম ফেলছিপেরাম' বান্দরবনের জন্য এন্ডেমিক এবং জটিলতা অনেক অনেক বেশী...
ম্যালেরিয়া প্রফাইলেক্সিস: Tab. Doxycap 100mg যেদিন ভ্রমন শুরু করবেন সেদিন থেকে প্রতিদিন রাতে ১ টি করে। ভ্রমন শেষ হওয়ার ৭ দিন পর পর্যন্ত চলবে।সবাই সুস্থ থাকুন...হ্যাপি ট্রাভেলিং।
 ম্যালেরিয়া প্রফাইলেক্সিস এর জন্য আমরা কয়েকধরনের ড্রাগ নিই... যেমন (১) Mefloquine যা larium নামে পাওয়া যায়...প্রতি সপ্তাহে ১ টি খাইতে হয় কিন্তু ভ্রমনের ১ সপ্তাহ আগে থেকে শুরু করতে হয় এবং ভ্রমন শেষ হওয়ার ৪ সপ্তাহ পর পর্যন্ত খাইতে হয়...যা অনেকেই নিয়ম মানে না,Drug Interaction,Side effect তুলনামুলক ভাবে বেশি। আর (২)Malarone (Atovaquone 250/ Proguanil 100 অনেক দামি ড্রাগ আমাদের দেশে পাওয়া যায় না। আর (৩) Doxycycline বেশি ব্যাবহার করা হয়...এখনও পর্যন্ত রেসিসটেনট হয়নি...তবে আগামিতে হইতেও পারে...এইটাও নিয়ম মতে ভ্রমন শেষ হওয়ার ৪ সপ্তাহ পর পর্যন্ত খাইতে হয়...তবে আমার প্রফেসর এর মতে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে কমপক্ষে ১ সপ্তাহ খাইলে চলে, সহজলভ্য,দামেও কম।

Author Name

{picture#https://www.facebook.com/photo.php?fbid=1196479430442738} YOUR_PROFILE_DESCRIPTION {facebook#https://www.facebook.com/alwasikbillah} {twitter#https://twitter.com/awasikb} {google#https://plus.google.com/112469283873821392454} {instagram#https://www.instagram.com/awasikb}

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.